Skip to content

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি

আজ-কাল ইসলামী ব্যাংক জনপ্রিয়তার শিখরে পোঁছে গেছে তাদের সুন্দর শরীয়ত সম্মত ব্যাংকিং প্রসেস-এর জন্যে। ঠিক এ কারনেই দেশের মানুষের কাছে তারা আস্থার জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। দেশের বেকারত্ব এবং দারিদ্র্যের হার হ্রাস ঘটিয়ে নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করে দেশ ও জাতির অর্থনীতির উন্নয়নের দিগন্তে পৌঁছাতে তারা কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে তারা বিভিন্ন খাতে লোন দিয়ে থাকেন। তার মাঝে একটি হলো প্রবাসী লোন। ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি

এ নিবন্ধনটিতে আমরা ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি নিয়েই আলোচনা করবো।

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি যাদের জন্যে

ইসলামি ব্যাংকের এই লোনের জন্যে বিবেচ্য ব্যক্তিবর্গ হলেন-

১. যারা রেগুলার ইসলামী ব্যাংকের সাথে টাকা লেন-দেন করে থাকেন। 

২. এছাড়াও দেশের সমস্ত খেটে খাওয়া কর্মজীবী প্রবাসীরাও লোন পেতে পারেন।

তবে হ্যাঁ, যেসব প্রবাসীরা রেগুলার ইসলামি ব্যাংকের সাথে টাকার লেনদেনের সাথে যুক্ত, তারা এ ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা তথা অগ্রাধিকার পাবেন। আবার এই লোন নিতে গেলে উভয়েরই মিনিমাম আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এমন দু’জন গ্যারোন্টার থাকতে হবে। না হলে তারা লোনের জন্যে বিবেচিত হবার সম্ভাবনা না-ই বললেই চলে।

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোনটি নিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 

 ১. এই লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রবাসী প্রার্থী যে দেশে বাস করছেন সে দেশের ভিসা এবং পাসপোর্ট থাকতে হবে নিজের সাথেই। যাতে করে যে কোনো সময় চাইলে সেগুলো দেখানো যায়।

২. প্রার্থী প্রবাসের যে কোম্পানীতে কর্মরত আছেন, ঐ কোম্পানীর নিয়োগ পত্র এবং বেতন রশিদ সমেত প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র। 

৩. পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি।

৪. জাতীয় পরিচয় পত্র।

৫. ২ জন আর্থিকভাবে স্বচ্ছল গ্যারেন্টার।

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন-এর জন্যে আবেদন পদ্ধতি 

১. লোন এর জন্যে ফর্ম ফিল-আপ করার আগে অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড 

সাথে রাখতে হবে। 

২. তারপর আপনি আবেদনপত্র সংগ্রহ করে নিবেন এবং সেটা একদম ঠিকঠাক ইনফো দিয়ে সুন্দর করে সম্পূর্ণ পূরণ করবেন।

৩. ফর্ম পূরণ সম্পন্ন হয়ে গেলে যাবতীয় প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র তার সাথে এটাচ করতে হবে। তারপর সেগুলো নিয়ে ইসলামী ব্যাংকে গিয়ে জমা দিতে হবে।

৪. ব্যাস! তাহলেই আপনার কাজ শেষ। তার কিছু দিন পর আপনার আপনার সকল তথ্য যাচাই করে আপনি লোনের জন্যে বিবেচ্য হলে আপনাকে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃক লোন প্রদান করা হবে।

তবে আবেদন এর ফর্ম পূরণ করতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতো হবে-

প্রথমত, লোন চেয়ে যে আবেদন ফর্ম পূরণ করবেন, তার সাথে আপনার ভিসার ফটোকপি আর পাসপোর্টের ফটোকপি মনে করে অবশ্যই এটাচ করে নিবেন। 

আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে, ইসলামী ব্যাংকের যে কোনো শাখায় যাওয়ার আগে আপনি অবশ্যই মনে করে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি সমেত আপনার পাসপোর্ট এর ফটোকপি আর ভিসার ফটোকপি সাথে নিয়ে যাবেন। আর সেই সাথে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংক্রান্ত কাগজপত্র যেগুলো আপনার নমিনির জন্যে প্রয়োজন, সেগুলো অবশ্যই নিজের সাথে করে ব্যাংকে নিয়ে যাবেন।

যে কারনে প্রবাসী লোন প্রদান করে ইসলামী ব্যাংক

প্রবাসী লোন প্রদানে ইসলামি ব্যাংকের বেশ মহৎ কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। যেমন-

১. আমাদের দেশেই কর্মসংস্থানের নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্য হচ্ছে এই ঋণ প্রদান কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য। 

২. তাদের ব্যাংকিং ব্যাবস্থার মধ্য দিয়ে প্রবাসীদের বিনিয়োগ সুবিধা বৃদ্ধি করা। 

৩. এ দেশের দরিদ্রতার হার কমিয়ে তাদের জীবন সংগ্রামে এগিয়ে যেতে উৎসাহ এবং সাহায্য প্রদান করা।

৪. ইসলামী ব্যাংক প্রবাসীদেরকে রেমিট্যান্স প্রদানে উৎসাহ দেয়।

৫. আরেকটি বিশেষ ব্যাপার হলো দেশের অর্থ পাচার রোধ করা।

৬. বিদেশ ফেরত প্রবাসীদেরকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া।

আর তার সাথে তাদের জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধি করে মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি করা।

৭. একটি প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের এ সমাজের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যাক্তাদের স্বাবলম্বী করার প্রয়াশে তাদের বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতেও ইসলামী ব্যাংক লোন প্রদান করে।

আপনার প্রশ্ন এবং আমাদের উত্তর 

১.  ইসলামী ব্যাংক -কি সুদ নেয়?

ইসলামী ব্যাংক সুধ নেয় না।  আপনি তাদের ব্যাংকিং প্রসেস নিয়ে গবেষণা করলেই জানতে পারবেন।

২. এই লোন দিয়ে তাদের কি লাভ?

– সুদহীন ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অস্বচ্ছলদের স্বাবলম্বীকরন এবং শরীয়ত সম্মত মুনাফা অর্জন।

শেষ কথা

বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা একটি ব্যাংক। আর দিন দিন এর জনপ্রিয়তা কেবল বৃদ্ধি পেয়েই যাচ্ছে। উন্নত গ্রাহক সেবা বা সুদহীন ব্যাংকিং প্রসেস বলুন কিংবা বিভিন্ন সুবিধার দিক বলুন, ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে দেশের মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি করতে। আপনি চাইলে প্রবাসে থেকেই এখান থেকে প্রবাসী লোন নিতে পারেন আপনার নিজের এবং সন্তানদের স্বাবলম্বী করে তুলতে। আজকের এই আর্টিকেলে প্রবাসীদের ইসলামী ব্যাংক লোন নিয়ে মোটামোটি যাবতীয় ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি তা বুঝতে পেরেছেন। ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি

তারপরও কোনো কিছু না বুঝলে কিংবা কোনো ব্যাপারে জানার প্রয়োজন হলে এই নাম্বারে (ব্যাংক নাম্বার) ফোন করতে পারেন-১৬২৫৯/০৯৬১১০১৬২৫৯। ধন্যবাদ।

16 thoughts on “ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি”

  1. আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য সব কাগজপত্র প্রায় ঠিক হয়ে গেছে কিন্তু আমার কিছু টাকার ঘাটতি আছে।আমি কি লোন নিতে পারব।

    1. জি ভাইয়া অবশ্যই পাবেন। আপনার ভিসা যদি লিগাল হয়ে থাকে এবং কম হলেও ১ বছরের মেয়াদ থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই লোন পাবেন আশা করছি।

  2. কয়েকটি টাকার জন্য আমার ব্যবসা আটকে গেছে আমাকে দয়া করে লোন দিবেন

  3. 01949576886 বিকাশ দয়া করে লোন দেন এটা হল আমার ফোন নাম্বার এই নাম্বার দয়া করে

    1. আস সালামু আলাইকুম ! আমার পোল্যান্ডে যাওয়ার জন্য ভিসা প্রসেসিং চলছে এমতাবস্থায় আমার কিছু টাকা ঘাটতি রয়েছে সেক্ষেত্রে আমাকে কত টাকা পর্যন্ত লোন দেওয়া হবে বা পেতে পারি ।

  4. Pingback: ইসলামী ব্যাংক হোম লোন নেওয়ার বিস্তারিত নিয়ম কানুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *